মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ঋণ প্রাপ্তি

ক্রঃ নং

কার্যক্রম

সেবা

সেবা গ্রহীতা

সেবা প্রাপ্তির সময়সীমা

সেবাদানকারী কর্তৃপক্ষ

ক)

আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন সেবা (সুদমুক্ত ঋণ)

১.

পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রম

  • পল্লী অঞ্চলের দরিদ্র জনগণকে সংগঠিত করে উন্নয়নের মূল স্রো্তধারায় আনয়ন;
  • সচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান;
  • ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রদান;
  • লক্ষ্যভুক্ত ব্যক্তিদের নিজস্ব পুঁজি গঠনের জন্য সঞ্চয় বৃদ্ধি।

 

নির্বাচিত গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা, যিনি:-

  • আর্থ সামাজিক জরিপের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদফতরে তালিকাভুক্ত পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের কর্মদলের সদস্য/সদস্যা;
  • সুদমুক্ত ঋণ ও অন্যান্য সেবা প্রাপ্তির জন্য ‘ক’ ও ‘খ’ শ্রেণীভুক্ত দরিদ্রতম ব্যক্তি অর্থাৎ যার মাথাপিছু বার্ষিক পারিবারিক আয় সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যমত্ম;
  • সুদমুক্ত ঋণ ব্যতীত অন্যান্য সেবা প্রাপ্তির জন্য ‘গ’ শ্রেণীভুক্ত ব্যক্তি অর্থাৎ যার মাথাপিছু বার্ষিক পারিবারিক আয় ২৫ হাজার টাকার ঊর্ধে।

নির্ধারিত ফরমে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদনের পর:-

  • ১ম বার ঋণ (বিনিয়োগ) গ্রহণের জন্য আবেদনের পর ১ মাসের মধ্যে;
  • ২য়/ ৩য় পর্যায়ের ঋণ (পুনঃবিনিয়োগ) গ্রহণ এর জন্য আবেদনের পর ২০ দিনের মধ্যে।

পিরোজপুর জেলায় ৭টি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়

২.

পল্লী মাতৃকেন্দ্র কার্যক্রম

  • পল্লী অঞ্চলে দরিদ্র নারীদের সংগঠিত করে উন্নয়নের মূল স্রো্তধারায় আনয়ন;
  • পরিকল্পিত পরিবার তৈরিতে সহায়তা;
  • জাতীয় জনসংখ্যা কার্যক্রম বাসত্মবায়ন;
  • সচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ এবং দক্ষতা  উন্নয়ন;
  • ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রদান;
  • লক্ষ্যভুক্ত নারীদের সংগঠিত করে সঞ্চয় বৃদ্ধির মাধ্যমে পুঁজি গঠন।

নির্বাচিত গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা, যিনি:-

  • আর্থ সামাজিক জরিপের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদফতরে তালিকাভুক্ত পল্লী মাতৃকেন্দ্রের সদস্য; এবং
  • সুদমুক্ত ঋণ ও অন্যান্য সেবা প্রাপ্তির জন্য ‘ক’ ও ‘খ’ শ্রেণীভুক্ত দরিদ্রতম নারী যার মাথাপিছু বার্ষিক পারিবারিক আয় সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যমত্ম;
  • সুদমুক্ত ঋণ ব্যতীত অন্যান্য সেবা প্রাপ্তির জন্য ‘গ’ শ্রেণীভুক্ত নারী যার মাথাপিছু বার্ষিক পারিবারিক আয় ২৫ হাজার টাকার ঊর্ধে।

নির্ধারিত ফরমে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদনের পর:-

  • ১ম বার ঋণ (বিনিয়োগ) গ্রহণের জন্য আবেদনের পর ১ মাসের মধ্যে;
  • ২য়/ ৩য় পর্যায়ের ঋণ (পুনঃবিনিয়োগ) গ্রহণ এর জন্য আবেদনের পর ২০ দিনের মধ্যে।

 পিরোজপুর জেলার উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সদর, নাজিরপুর, নেছারাবাদ, মঠবাড়ীয়া, ভান্ডারিয়া, জিয়ানগর, ৬টি উপজেলাতে পল্লী এলাকায় স্থাপিত মাতৃকেন্দ্র।

 

৩.

এসিডদগ্ধ ও প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসন কার্যক্রম

  • ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা ক্ষুদ্রঋণ
  • এসিডদগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যাদের বাৎসরিক আয় ২০,০০০  (বিশ হাজার) টাকার নিচে।

 

  • ১ম বার ঋণ (বিনিয়োগ) গ্রহণের জন্য আবেদনের পর ১ মাসের মধ্যে;
  • ২য়/ ৩য় পর্যায়ের ঋণ (পুনঃবিনিয়োগ) গ্রহণ এর জন্য আবেদনের পর ২০ দিনের মধ্যে।
  • পিরোজপুর জেলায় ৭টি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ০১টি শহর সমাজসেবা কার্যালয়।

 

৪.

শহর সমাজসেবা কার্যক্রম

  • শহর এলাকায়  দরিদ্র জনগণকে সংগঠিত করে উন্নয়নের মূল স্রো্তধারায় আনয়ন;
  • সচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান;
  • ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রদান;
  • লক্ষ্যভুক্ত ব্যক্তিদের নিজস্ব সঞ্চয় বৃদ্ধির মাধ্যমে পুঁজি গঠন।

 

নির্বাচিত মহল্লার স্থায়ী বাসিন্দা, যিনি:-

  • আর্থ সামাজিক জরিপের মাধ্যমে সমাজসেবা অধিদফতরে তালিকাভুক্ত শহর সমাজসেবা কার্যক্রম কর্মদলের সদস্য;
  • সুদমুক্ত ঋণ ও অন্যান্য সেবা প্রাপ্তির জন্য ‘ক’ ও ‘খ’ শ্রেণীভুক্ত দরিদ্রতম ব্যক্তি যার মাথাপিছু বার্ষিক পারিবারিক আয় সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত;
  • সুদমুক্ত ঋণ ব্যতীত অন্যান্য সেবা প্রাপ্তির জন্য ‘গ’ শ্রেণীভুক্ত ব্যক্তি যার মাথাপিছু বার্ষিক পারিবারিক আয় ১০ হাজার টাকার ঊর্ধে।
  • ১ম বার ঋণ (বিনিয়োগ) গ্রহণের জন্য আবেদনের পর ১ মাসের মধ্যে;
  • ২য়/ ৩য় পর্যায়ের ঋণ (পুনঃবিনিয়োগ) গ্রহণ এর জন্য আবেদনের পর ২০ দিনের মধ্যে।

 

  • পিরোজপুর জেলা শহরে ০১টি শহর সমাজসেবা কার্যালয়

৫.

আশ্রয়ন/আবাসন কার্যক্রম

  • আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী দরিদ্র ব্যক্তিদের সংগঠিত করে উন্নয়নের মূল স্রো্তধারায় নিয়ে আসা;
  • পরিকল্পিত পরিবার তৈরিতে সহায়তা প্রদান;
  • সচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান;
  • ২ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রদান;
  • সদস্যদের সঞ্চয় বৃদ্ধিকরণ।
  • নির্বাচিত আশ্রয়ন কেন্দ্রের বাসিন্দা;
  • আশ্রয়ন কেন্দ্রের সমিতির সদস্য।

 

  • ১ম বার ঋণ (বিনিয়োগ) গ্রহণের জন্য আবেদনের পর ১ মাসের মধ্যে;
  • ২য়/ ৩য় পর্যায়ের ঋণ (পুনঃবিনিয়োগ) গ্রহণ এর জন্য আবেদনের পর ২০ দিনের মধ্যে।

 

পিরোজপুর জেলায় ভান্ডারিয়া, কাউখালী, ০২টি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় আশ্রয়ণ প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

যুব প্রশিক্ষণ ও আত্বকর্মসংস্থান কর্মসূচির ঋণ ।

বাংলাদেশের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগোষ্ঠী যুব। এ যুব জনগোষ্ঠী যুবকে দক্ষ মানব সম্পদে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব।বেকার সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে কর্মসংস্থান সে ভাবে বাড়ছে না, সে দিক বিবেচনায় যুবদের আত্বকর্মসংস্থানের বিকল্প নাই। তাই সরকার যুগপযোগী শিক্ষা ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ঋণ দানের মাধ্যমে বেকার যুবদের কর্মে নিয়োজিতকরণের জন্য আত্বকর্মসংস্থান কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

উদ্দেশ্যঃ

যুবদের উৎপাদনশীল কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা।

সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে বেকার যুবদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

উন্নয়ন কর্মকান্ডে যুবদের অংশ গ্রহন নিশ্চিত করা।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বেকার যুব ও যুব মহিলাদের আত্বকর্মসংস্থানে ঋণ প্রদাণ করা।

ঋণ গ্রহিতার যোগ্যতাঃ

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত হতে হবে।

প্রকল্পটি সম্ভসব্যতা যাচাইয়ে (পরিদর্শন)যোগ্য হতে হবে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পটির গ্রহণযোগ্যতা থাকতে হবে।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ট্রেড সংশ্লিষ্ট প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

প্রশিক্ষণ শেষে ৩ বছরের মধ্যে ঋণের আবেদন করতে হবে।(নিজস্ব বিনিয়োগে চলমান প্রকল্পের ক্ষেত্রে সময় শিথিল যোগ্য)

গৃহিত প্রকল্পের ২০% কাজ নিজের অর্থে সম্পন্ন করতে হবে।

ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়াঃ

সাদাকাগজে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন দিতে হবে।

৭ দিনের মধ্যে প্রকল্প পরিদর্শনের তারিখ আবেদঙ্কারীকে জানিয়ে দেয়া হবে।

ক্রেডিট সুপারভাইজার পরিদর্শন পূর্বক মতামত ঐ দিন বা তারপর দিন করমকর্তার নিকট পেশ করবেন।

মতামত প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পুনরায় প্রকল্প পরিদর্শন করবেন।

প্রকল্পটি ঋণ প্রদানের যোগ্য হলে আবেদঙ্কারীকে ১০ টাকা মূল্যে এক সেট আবেদন ফরম দেয়া হবে।

আবেদন ফরম যথাযথ পুরন পূর্বক সাথে যা দিতে হবে

১।সদ্য তোলা ৩কপি পাস পোর্ট সাইজ সত্যায়িত ছবি
২নগরিকত্ব সনদ
৩প্রশিক্ষণের সনদ
৪ব্যাং একাউন্ট নং
৫ঋণ ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত সম্পত্তির মালিকানা সমর্থনে জমির মূল দলিল/দলিলের সার্টিফাইড কপি/হাল নাগাদ পর্চা ও দাখিলা জমা দিতে হবে

৬প্রকল্পের জমি নিজস্ব না হলে ইজারার চুক্তি পত্র দাখিল করতে হবে ইজারা মেয়াদ কমপক্ষে ৩ বছর হতে হবে
৭ইজারা চূক্তি বাতিলের আগে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সাথে আলোচনার বিষয়ে লিখিত অঙ্গীকার নামা থাকবে
৮আবেদন পত্রের সাথে প্রকল্পের বিবরণসহ তথ্যাদি দাখিল করতে হবে।

জামিনদারের যোগ্যতাঃ

ঋণ গ্রহিতার পিতা/মাতা বা নিকট আত্বীয় দের মধ্যে যার নিজস্ব সম্পত্তি আছে যার বর্তমান বাজ্র মুল্য প্রস্তাবিত ঋণের ২ গুন

স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি নেই এমন কোন ঋণ গ্রহিতার পিতা /মাতা/নিকট আত্বীয় যদি সরকারী করমচারী হোন তা হলে তার নিয়ন্ত্রঙ্কারী কর্মকর্তার মাধ্যমে ঋঙরহিতার জামিনদার হতে পারবেন।

 

 

 

 

 

 

পরিবারভিত্তিক ঋণঃ ১ম ধাপ ।

সদস্য বাছাই পদ্ধতিঃ

*উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তাঁর কর্ম এলাকায় আর্থ-সামাজিক জরিপ  সম্পাদন ।
*টার্গেট গ্রুপ নির্ধারণ ।
*চিহ্নিত সদস্যদের সাথে কমপক্ষে ৩ টি উঠান বৈঠক ।
*কর্মসূচির উদ্দেশ্য , নিয়মাবলী ও করণীয় অবহিত করন ।

গ্রুপ সদস্যের যোগ্যতাঃ

*প্রাথমিক জরিপকৃত পরিবারের সদস্য ।
*১৮ থেকে ৪৫ বছরের কর্মক্ষম ( পরিবার প্রধানের বয়স শিথিলযোগ্য) ।
*বার্ষিক আয় ২৫০০০/টাকার কম।
*স্থাবর ,অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২০০০০০/( দুই লাখ )টাকার কম।
*নিম্ন পেশাজীবী অগ্রাধিকার ( জেলে কামার কুমার তাঁতী ইত্যাদি )।
*স্বাক্ষর জ্ঞান থাকা আবশ্যিক।
*নাগরিকত্ব সনদ।

গ্রুপঃ

*রকই পরিবারের বা প্রতিবেশী সহ ৫ জন নিয়ে ১ টি গ্রুপ ।
*প্রত্যেক সদস্য পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধ্যাশীল   ও দ্বায়বদ্ধ থাকবে।
*জরিপ শেষে ১৫ দিনের মধ্যে গ্রুপ গঠন হবে।
*শুধু মহিলা সদস্য নিয়েও গ্রুপ হবে।
*গ্রুপের এক জন প্রধান থাকবে।
*গ্রুপ সদস্য সাপ্তাহিক সভায় উপস্থিত থাকবেন।
*ঋণ ব্যবহারের নিয়মাবলী , পরিশোধ ও গ্রুপের শৃংখলা বজায় রাখা সদস্যের কর্তুব্য।

গ্রুপ প্রধানঃ

*পরিবার প্রধান বা বয়োজ্যেষ্ঠ আস্থাশীল ব্যক্তি অথবা গ্রুপের মধ্যে নির্বাচিত।

গ্রুপ প্রধানের দায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

*সদস্যদের জন্য ঋণের সুপারিশ করা।
*গ্রুপে নেতৃত্ব ও পরামর্শ প্রদান।
*ঋণ ব্যবহার ও  পরিশোধ নিশ্চিত করা।
*সদস্যদের নিয়মিত সাপ্তাহিক সভায় উপস্থিত করা।
*উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহনের উদ্যোগ গ্রহন করা।
*সমন্বয় করা।

সদস্য পদ শূন্য, ত্যাগ ও বহিস্কারঃ

*মৃত্যু , পদত্যাগ বা বহিস্কারের ফলে সদস্য কমে গেলেও বাকী সদসয দিয়ে গ্রুপ পরিচালিত হবে।
*গ্রুপ, সমাজ, রাষ্ট্র বিরধী বা অনৈতিক কার্যকলাপে বহিস্কার করা হয় আর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা যায়।
*স্বেচ্ছায় পদত্যাগ কারী তাঁর সঞ্চয়ের সুদ সহ ফেরত পায় , বহিস্কৃত সদস্য সুদ ছাড়া সঞ্চয় ফেরত পায়।

 

পরিবার ভিত্তিক ঋণ ২য় ধাপ

কেন্দ্র ও কেন্দ্র সভাঃ

কর্মসূচি ভূক্ত সদস্যদের জন্য কেন্দ্র  হল  দ্বিতীয় স্তরের সংগঠন। সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট সময় ও স্থানে সকল গ্রুপ সদস্যদের উপস্থিতিতে কেন্র সভা অনুষ্ঠিত হয় । সংশ্লিষ্ট ক্রেডিট সুপার ভাইসার উক্ত কেন্দ্র সভায় উপস্থিত থেকে ঋণ প্রস্তাব প্রণয়ন, ঋণ ব্যবহার তদারকি, কিস্তি ও সঞ্চয় আদায়সহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন্মূলক ক্ররযক্রম মডিউল নিয়ে আলোচনা করবেন ।

কেন্দ্র ও কেন্দ্র গঠনের নিয়মাবলীঃ

১। ৮-১০ টি গ্রুপ নিয়ে একটি কেন্দ্র গঠিত হবে । শুধু মহিলা সদস্য নিয়েও কেন্দ্র গঠন করা যাবে ।
২কেন্দ্রের সকল সদস্যের মতামত নিয়ে কেন্দ্র সভার স্থান , সময়, ও দিন নির্ধারন করতে হবে ।
৩ কেন্দ্রের সকল সদস্য পরস্পর পরস্পরের ঋণের জন্য দ্বায়বদ্ধ থাকবেন ।
৪ কেন্দ্রকে চলমান  রাখার জন্য কমপক্ষে ২০ জন সদস্য থাকতে হবে ।

  কেন্দ্র প্রধান ও কেন্দ্র সচিবঃ

১ গ্রুপ প্রধান গণ তাঁদের মধ্যে থেকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ১ জন কেন্দ্র প্রধান ও ১ জন কেন্দ্র সচিব নির্বাচিত করবেন ।
২কোন কারণে পদ শূন্য হলে পরবর্তী মাসের মধ্যে তা নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণ করতে হবে ।

কেন্দ্র প্রধান ও কেন্দ্র সচিবের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্যঃ

১ কেন্দ্র সচিবের উদ্যোগে এবং কেন্দ্র প্রধানের তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রের সাপ্তাহিক সভা অনুষ্ঠিত হবে ।
২ ঋণ প্রস্তাব প্রণয়ন , ঋণের সঠিক ব্যবহার ,ঋণ ও সঞ্চয় জমার ক্ষেত্রে ক্রেডিট সুপারভাইজারকে সহায়তা করবেন ।
৩ অনুপস্থিত সদস্যের বাড়ীতে গিয়ে কিস্তি আদায়ের জন্য হাজির করবেন ।
৪ কেন্দ্র প্রধান  ও  কেন্দ্র সচিব  কেন্দ্রকে সামাজিক সংহতি, অর্থনৈতিক তৎপরতার ভিত্তি হিসেবে সংগঠন প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।
৫ কেন্দ্র প্রধানের অনুপস্থিতিতে  কেন্দ্র সচিব কেন্দ্রপ্রধানের দ্বায়িত্ব  পালন করবেন ।
৬ কেন্দ্রসচিব কেন্দ্র সভার আলোচ্যসূচি ও গ্রিহিত সিদ্ধান্ত কার্যবিবরণী রেজিষ্টারে সংরক্ষণ করবেন।
৭ কেন্দ্রপ্রধান কেন্দ্রের সার্বিক শৃংখলা নিশ্চিত করবেন।

ঋণ বিতরণে প্রস্তুতিমূলক কার্যাবলীঃ

১ সরকারী  ছাপানো ফরমে গ্রুপের সদস্য   হওয়ার জন্য কেন্দ্র প্রধানের মাধ্যমে লিখিত আবেদন করবেন ।
২ গ্রুপ ও কেন্দ্র গঠনের পর প্রতি সদস্যকে ৫ দিনের প্রশিক্ষণ নিতে হয় ।প্রশিক্ষণ ও গ্রুপ/কেন্দ্রের মান যাচাইয়ের পর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা গ্রুপ ও কেন্দ্রের স্বীকৃতি প্রদান করবেন।
৩গ্রুপ ও কেন্দ্র গঠন চূড়ান্ত হলে গ্রহণযোগ্য ও সংগতি পূর্ণ স্কীম/পেশা উল্লেখ পূর্বক ঋণের জন্য আবেদন করবেন। ৫ম দিফা পর্যন্ত ঋণ পরিশোধকারী প্রতি পরিবার থেকে একজন কে এন্টারপ্রাইজ ঋণ প্রদান করা হবে ।
৪ঋণ গ্রহণের পূর্বে ঋঙরহিতাকে ১৫০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্টাম্পে গ্রুপ ভিত্তিক স্কীম/পেশার চূক্তিনামা  সম্পন্ন করতে হবে । তবে এন্টারপ্রাইজ ঋণের ক্ষেত্রে একক চূক্তি নামা করতে হবে ।

                                               উপকারভোগী প্রশিক্ষণঃ

১প্রতি কেন্দ্রের চাহিদার সাথে সংগতি রেখে সদস্যদের নিয়ে  কেন্দ্র ভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
২ঋণ ব্যবহার , পরিশোধ পদ্ধতি ছাড়াও উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট  ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
৩ প্রশিক্ষণের মেয়াদ ৫ দিন তবে বাজেট বরাদ্দের আলোকে প্রয়োজনীয়তার নিরিখে কম বেশী হয়।

                                        সঞ্চয়

ঋণ গ্রহণের সময় ঋণ গ্রহিতাকে ৫% গ্রুপ সঞ্চয় হিসেবে জমা রাখতে হবে ।সাপ্তাহিক সঞ্চয়ের বাবদ প্রতি আসল কিস্তির সাথে ১০ টাকা সঞ্চয় জমা রাখতে হয়।ঋণ পরিশোধের পর ব্যাংকের সঞ্চয় হিসাবে দেয় প্রচলিত সুদ সহ ঋণ গ্রহিতাকে ফেরত প্রদান করা হয় ।

                                      ঋণের পরিমাণঃ

১ বছর মেয়াদী ১ম দফা ঋণের পরিমাণ ৮০০০টাকা সফল ঋণ পরিশোধকারী ২য় দফায় ১০০০০টাকা এ ভাবে ৫ম দফায় এক জন ঋণ গ্রহিতাকে ১৬০০০০টাকা ঋন প্রদাণ করা হয়। ৫ম দফা পরিশোধকারী পরিবারের ১ জন সদস্য এন্টারপ্রাইজ ঋণের যোগ্য যা ৩০০০০টাকা থেকে ৫০০০০০টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।